Al-MukhtasarAn‑Nisa · 4:165–176

Al-Mukhtasar · Tafsir · in Bangla

An-Nisa 4:165–176

4:165Page 104

رُّسُلٗا مُّبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ لِئَلَّا يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَى ٱللَّهِ حُجَّةُۢ بَعۡدَ ٱلرُّسُلِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمٗا ١٦٥

[We sent] messengers as bringers of good tidings and warners so that mankind will have no argument against Allāh after the messengers. And ever is Allāh Exalted in Might and Wise.

১৬৫. মু’মিনদেরকে সম্মানজনক প্রতিদানের সুসংবাদ এবং কাফিরদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ভয় দেখানোর জন্য আমি তাদেরকে পাঠিয়েছি। যাতে রাসূলদেরকে পাঠানোর পর আল্লাহর নিকট মানুষের জন্য এমন কোন কৈফিয়ত না থাকে যা তারা ওজর হিসেবে পেশ করবে। বস্তুতঃ আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মালিকানায় মহাপরাক্রমশালী ও তাঁর ফায়সালায় মহাবিজ্ঞানী।

4:166Page 104

لَّٰكِنِ ٱللَّهُ يَشۡهَدُ بِمَآ أَنزَلَ إِلَيۡكَۖ أَنزَلَهُۥ بِعِلۡمِهِۦۖ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَشۡهَدُونَۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًا ١٦٦

But Allāh bears witness to that which He has revealed to you. He has sent it down with His knowledge, and the angels bear witness [as well]. And sufficient is Allāh as Witness.

১৬৬. হে রাসূল! ইহুদিরা আপনার সাথে কুফরি করলে আল্লাহ তা‘আলা আপনার প্রতি প্রেরিত কুর‘আনের বিশুদ্ধতার সত্যায়ন করছেন। তিনিই তাতে তাঁর এমন জ্ঞান নাযিল করেছেন যা তাঁর বান্দাদেরকে জানানোর তিনি ইচ্ছা পোষণ করেছেন। যা তিনি পছন্দ করেন ও যার উপর তিনি সন্তুষ্ট অথবা যা তিনি অপছন্দ করেন ও অস্বীকার করেন। তেমনিভাবে আল্লাহর পাশাপাশি ফিরিশতারাও আপনার আনীত কুর‘আনের সত্যতার বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছেন। আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহ নিজেই যথেষ্ট। তাতে অন্য কারো সাক্ষ্যর প্রয়োজন নেই।

4:167Page 104

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَصَدُّواْ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ قَدۡ ضَلُّواْ ضَلَٰلَۢا بَعِيدًا ١٦٧

Indeed, those who disbelieve and avert [people] from the way of Allāh have certainly gone far astray.

১৬৭. যারা আপনার নবুওয়াতকে অস্বীকার করেছে আর ইসলাম গ্রহণে মানুষকে বাধা দিয়েছে নিশ্চয়ই তারা সত্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে।

4:168Page 104

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَظَلَمُواْ لَمۡ يَكُنِ ٱللَّهُ لِيَغۡفِرَ لَهُمۡ وَلَا لِيَهۡدِيَهُمۡ طَرِيقًا ١٦٨

Indeed, those who disbelieve and commit wrong [or injustice] - never will Allāh forgive them, nor will He guide them to a path,

১৬৮. নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে কুফরি করেছে এবং কুফরির উপর অটল থেকে নিজেদের উপর যুলুম করেছে আল্লাহ তা‘আলা তাদের এ কুফরিতে অবিচল থাকা ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ তাদেরকে না এমন পথ দেখাবেন যা শাস্তি থেকে রক্ষা করবে।

4:169Page 104

إِلَّا طَرِيقَ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدٗاۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٗا ١٦٩

Except the path of Hell; they will abide therein forever. And that, for Allāh, is [always] easy.

১৬৯. তবে সে পথই দেখাবেন যা তাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করিয়ে দিবে। যাতে তারা সর্বদা থাকবে। আর এটি আল্লাহর জন্য খুবই সহজ। কোন কিছুই তাঁকে অক্ষম করতে পারে না।

4:170Page 104

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدۡ جَآءَكُمُ ٱلرَّسُولُ بِٱلۡحَقِّ مِن رَّبِّكُمۡ فَـَٔامِنُواْ خَيۡرٗا لَّكُمۡۚ وَإِن تَكۡفُرُواْ فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمٗا ١٧٠

O mankind, the Messenger has come to you with the truth from your Lord, so believe; it is better for you. But if you disbelieve - then indeed, to Allāh belongs whatever is in the heavens and earth. And ever is Allāh Knowing and Wise.

১৭০. হে মানুষ! তোমাদের নিকট রাসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর পক্ষ থেকে হিদায়েত ও সত্য ধর্ম নিয়ে এসেছেন। তাই তোমাদের কাছে আনা বিষয়ে ঈমান আনো তাহলেই দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের কল্যাণ হবে। আর আল্লাহর সাথে কুফরি করলে আল্লাহ তা‘আলা নিশ্চয়ই তোমাদের ঈমানের মুখাপেক্ষী নন। তোমাদের কুফরি তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আসমান, জমিন ও এতদুভয়ের মাঝে থাকা সবকিছুর মালিক শুধু আল্লাহ। বস্তুতঃ আল্লাহ তা‘আলা জানেন কে হিদায়েতের উপযুক্ত। তখন আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য হিদায়েতের পথ সহজ করে দেন। আর অনুপযুক্তকে আল্লাহ তা‘আলা তা থেকে দূরে রাখেন। তিনি তাঁর কথা, কাজ, শরীয়ত ও তাক্বদীরে অত্যন্ত প্রজ্ঞাময়।

4:171Page 105

يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ لَا تَغۡلُواْ فِي دِينِكُمۡ وَلَا تَقُولُواْ عَلَى ٱللَّهِ إِلَّا ٱلۡحَقَّۚ إِنَّمَا ٱلۡمَسِيحُ عِيسَى ٱبۡنُ مَرۡيَمَ رَسُولُ ٱللَّهِ وَكَلِمَتُهُۥٓ أَلۡقَىٰهَآ إِلَىٰ مَرۡيَمَ وَرُوحٞ مِّنۡهُۖ فَـَٔامِنُواْ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦۖ وَلَا تَقُولُواْ ثَلَٰثَةٌۚ ٱنتَهُواْ خَيۡرٗا لَّكُمۡۚ إِنَّمَا ٱللَّهُ إِلَٰهٞ وَٰحِدٞۖ سُبۡحَٰنَهُۥٓ أَن يَكُونَ لَهُۥ وَلَدٞۘ لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلٗا ١٧١

O People of the Scripture, do not commit excess in your religion1 or say about Allāh except the truth. The Messiah, Jesus the son of Mary, was but a messenger of Allāh and His word which He directed to Mary and a soul [created at a command] from Him. So believe in Allāh and His messengers. And do not say, "Three"; desist - it is better for you. Indeed, Allāh is but one God. Exalted is He above having a son. To Him belongs whatever is in the heavens and whatever is on the earth. And sufficient is Allāh as Disposer of affairs.

১৭১. হে রাসূল! আপনি ইঞ্জীলে বিশ্বাসী খ্রিস্টানদেরকে বলুন: তোমরা নিজেদের ধর্মীয় ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করো না। আর আল্লাহর উপর ‘ঈসা (আলাইহিস-সালাম) এর ব্যাপারে সত্য ছাড়া অন্য কথা বলো না। নিশ্চয়ই মাসীহ ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম আল্লাহর রাসূল। যাঁকে আল্লাহ তা‘আলা সত্যসহ প্রেরণ করেন। তিনি তাঁকে সেই কালিমা দিয়ে সৃষ্টি করেন যাসহ তিনি জিব্রীল (আলাইহিস-সালাম) কে মারইয়ামের নিকট পাঠান। তা হলো তাঁরই বাণী “কুন” তুমি হয়ে যাও তখন তিনি হয়ে গেলেন। সেটি ছিলো মূলতঃ আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি ফুঁ যেটি জিব্রীল (আলাইহিস-সালাম) আল্লাহর আদেশে দিয়েছেন। তাই তোমরা বিনা পার্থক্যে আল্লাহ ও তাঁর সকল রাসূলের উপর ঈমান আনো। আর তোমরা বলো না যে, ইলাহ হলো তিনজন। তোমরা এ জাতীয় মিথ্যা ও অসার কথা থেকে ফিরে আসো। তাহলে তোমাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে মঙ্গল হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা এক ইলাহ। তিনি শরীক ও সন্তান থেকে পবিত্র। তিনি অমুখাপেক্ষী। আসমান, জমিন ও এতদুভয়ের মাঝের সব কিছুর মালিক তিনি। আর এ সব কিছুর তত্ত¡াবধায়ক ও পরিচালক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

4:172Page 105

لَّن يَسۡتَنكِفَ ٱلۡمَسِيحُ أَن يَكُونَ عَبۡدٗا لِّلَّهِ وَلَا ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ ٱلۡمُقَرَّبُونَۚ وَمَن يَسۡتَنكِفۡ عَنۡ عِبَادَتِهِۦ وَيَسۡتَكۡبِرۡ فَسَيَحۡشُرُهُمۡ إِلَيۡهِ جَمِيعٗا ١٧٢

Never would the Messiah disdain to be a servant of Allāh, nor would the angels near [to Him]. And whoever disdains His worship and is arrogant - He will gather them to Himself all together.

১৭২. ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম কখনো আল্লাহর গোলাম হওয়াকে না অস্বীকার করেন; না ঘৃণা করেন এবং ফিরিশতারাও না। কারণ, এরা আল্লাহ তা‘আলার নিকটবর্তী করেছেন এবং সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী আল্লাহর খাঁটি বান্দা। তাই তোমরা কীভাবে ‘ঈসা (আলাইহিস-সালাম) কে ইলাহ বা মা’বূদ সাব্যস্ত করছো?! আর মুশরিকরাই বা কীভাবে ফিরিশতাগণকে ইলাহ সাব্যস্ত করে?! যারা মূলতঃ আল্লাহর ইবাদাত করা ঘৃণা করে এবং তা করা থেকে নিজকে আরো উঁচু মনে করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা শিগগীরই সকলকে কিয়ামতের দিন তাঁর নিকট একত্রিত করে প্রত্যেককে তার যথোপযুক্ত প্রতিদান দিবেন।

4:173Page 105

فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَيُوَفِّيهِمۡ أُجُورَهُمۡ وَيَزِيدُهُم مِّن فَضۡلِهِۦۖ وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱسۡتَنكَفُواْ وَٱسۡتَكۡبَرُواْ فَيُعَذِّبُهُمۡ عَذَابًا أَلِيمٗا وَلَا يَجِدُونَ لَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ وَلِيّٗا وَلَا نَصِيرٗا ١٧٣

And as for those who believed and did righteous deeds, He will give them in full their rewards and grant them extra from His bounty. But as for those who disdained and were arrogant, He will punish them with a painful punishment, and they will not find for themselves besides Allāh any protector or helper.

১৭৩. আল্লাহতে ঈমান এনে ও তাঁর রাসূলদেরকে সত্য জ্ঞান করে আল্লাহর শরীয়ত যথাযথ মেনে নিষ্ঠার সাথে নেক আমলকারীদেরকে তিনি কোন ঘাটতি ছাড়া তাদের আমলের অবারিত প্রতিদান দিবেন। তিনি তাঁর দয়া ও করুণায় তাদের সাওয়াব আরো বাড়িয়ে দিবেন। আর যারা আল্লাহর ইবাদাত ও তাঁর আনুগত্যে অবহেলাকারী অহঙ্কারী এবং দাম্ভিকদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবেন। আল্লাহ ছাড়া সেদিন তারা অভিভাবক হিসেবে এমন কাউকে পাবে না যে সাহায্যকারী হয়ে তাদের ক্ষতি প্রতিহত করবে।

4:174Page 105

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدۡ جَآءَكُم بُرۡهَٰنٞ مِّن رَّبِّكُمۡ وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكُمۡ نُورٗا مُّبِينٗا ١٧٤

O mankind, there has come to you a conclusive proof from your Lord, and We have sent down to you a clear light.1

১৭৪. হে মানুষ! তোমাদের নিকট তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে এক সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে যা সকল ওজর বন্ধ করে ও সন্দেহ দূর করে। তিনি হলেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। আর আমি তোমাদের উপর নাযিল করেছি পরিষ্কার আলো। তা হলো এ কুর‘আনুল-কারীম।

4:175Page 105

فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ بِٱللَّهِ وَٱعۡتَصَمُواْ بِهِۦ فَسَيُدۡخِلُهُمۡ فِي رَحۡمَةٖ مِّنۡهُ وَفَضۡلٖ وَيَهۡدِيهِمۡ إِلَيۡهِ صِرَٰطٗا مُّسۡتَقِيمٗا ١٧٥

So those who believe in Allāh and hold fast to Him - He will admit them to mercy from Himself and bounty and guide them to Himself on a straight path.

১৭৫. সুতরাং যারা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে আর তাদের নবীর উপর অবতীর্ণ কুর‘আন মাজীদকে আঁকড়ে ধরেছে যা করা হয়েছে আল্লাহ তা‘আলা অচিরেই জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে তাদের উপর দয়া করে তাদের সাওয়াব আরো বাড়িয়ে তাদের মর্যাদা আরো উন্নত করবেন। উপরন্তু তাদেরকে তিনি বক্রতাহীন সরল পথে চলার তাওফীক দিবেন। যে রাস্তা জান্নাতে আদন পর্যন্ত পৌঁছে দিবে।

4:176Page 106

يَسۡتَفۡتُونَكَ قُلِ ٱللَّهُ يُفۡتِيكُمۡ فِي ٱلۡكَلَٰلَةِۚ إِنِ ٱمۡرُؤٌاْ هَلَكَ لَيۡسَ لَهُۥ وَلَدٞ وَلَهُۥٓ أُخۡتٞ فَلَهَا نِصۡفُ مَا تَرَكَۚ وَهُوَ يَرِثُهَآ إِن لَّمۡ يَكُن لَّهَا وَلَدٞۚ فَإِن كَانَتَا ٱثۡنَتَيۡنِ فَلَهُمَا ٱلثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَۚ وَإِن كَانُوٓاْ إِخۡوَةٗ رِّجَالٗا وَنِسَآءٗ فَلِلذَّكَرِ مِثۡلُ حَظِّ ٱلۡأُنثَيَيۡنِۗ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمۡ أَن تَضِلُّواْۗ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمُۢ ١٧٦

They request from you a [legal] ruling. Say, "Allāh gives you a ruling concerning one having neither descendants nor ascendants [as heirs]." If a man dies, leaving no child but [only] a sister, she will have half of what he left. And he inherits from her if she [dies and] has no child. But if there are two sisters [or more], they will have two thirds of what he left. If there are both brothers and sisters, the male will have the share of two females.1 Allāh makes clear to you [His law], lest you go astray. And Allāh is Knowing of all things.

১৭৬. হে রাসূল! তারা আপনাকে কালালার মিরাসের বিষয়ে তাদেরকে ফতোয়া চাইবে। মৃত্যুর সময় সে তার কোন পিতা ও সন্তানহীন হলো কালালা। আপনি বলুন, আল্লাহ তার ব্যাপারে বিধান বর্ণনা করছেন। যদি এমন কোন ব্যক্তি মারা যায়। যার কোন পিতা ও সন্তান নেই। তবে তার একটি আপন বা বৈমাত্রেয় বোন রয়েছে। তখন সে তার নির্ধারিত পাওনা হিসেবে মৃতের রেখে যাওয়া সম্পত্তির অর্ধেক পাবে। আর তার আপন বা বৈমাত্রেয় ভাই আসাবা হিসেবে মৃতের রেখে যাওয়া সম্পত্তির পুরোটাই পাবে যদি তার সাথে নির্ধারিত কোন পাওনাদার না থাকে। যদি তার সাথে নির্ধারিত পাওনাদার কেউ থাকে তখন তার পাওনাটুকু বাদ দিয়ে বাকিটুকু মিরাস হিসেবে পাবে। আর যদি আপন বা বৈমাত্রেয় বোন দু’ বা ততোধিক থাকে তখন তারা তাদের নির্ধারিত পাওনা হিসেবে সম্পদের দু’ তৃতীয়াংশ পাবে। আর যদি তার আপন বা বৈমাত্রেয় ভাই-বোন উভয়ই থাকে তখন তারা আসাবা হিসেবে “ছেলে দু’ মেয়ের সমান অংশ পাবে” সূত্রের ভিত্তিতে উত্তরাধিকারী হবে। তথা ছেলেকে মেয়ের অংশের দ্বিগুণ দেয়া হবে। আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য কালালা ইত্যাদির মিরাসের বিধান বর্ণনা করেছেন যেন তোমরা তার ব্যাপারে পথভ্রষ্ট না হও। বস্তুতঃ আল্লাহ তা‘আলা সব কিছু জানেন। তাঁর নিকট কোন কিছু লুক্কায়িত নয়।

Text: Quranic Universal Library (Tarteel), via spa5k/tafsir_api (MIT), at a fixed version. The ayahs: Quran Foundation. Sources and licences

Contents

Ayat al-Kursi36Al-Kahfpage 42juz 15Bukhari 1Muslim 2999

Style

Theme
Text size
Layout

Читать на русском